বাংলাদেশে চলচ্চিত্র সংস্কৃতি সম্ভবত দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। অবশ্য এখন ভাগ হয়েছে বলাটা ঠিক হবে না। স্বাধীন দেশে ১৯৮০-র দশকের শুরুতেই এটা হয়েছে। এক সময় দেশের সবাই প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে সিনেমা দেখতো। নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্ত কেউ বাদ ছিল না। কিন্তু, অন্য অনেক দেশের মতো এদেশেও যখন মধ্যবিত্ত সমাজের প্রভাব বাড়তে শুরু করে তখন এটার সাথে তাল মিলিয়ে একটি চলচ্চিত্র সংস্কৃতি বেড়ে উঠতে পারে নি। প্রেক্ষাগৃহে মধ্যবিত্তের চাহিদা কমতে কমতে এক সময় শূন্যে পোঁছেছে। এফডিসি ঠিক এই সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছে। তারা সিনেমা স্পষ্ট দুই ভাগে ভাগ করে ফেলেছে। আমার যা মনে হয় নিম্নবিত্তরা সিনেমার কাছে খুব বেশি কিছু দাবী করে না, বা তাদেরকে দাবী করতে দেয়া হয় না। নিম্নবিত্তরা এখনও আগের মতোই সিনেমা দেখতে যায়, কিন্তু তারা পরিচালক বা প্রযোজকের কাছ থেকে নতুন কিছু দাবী করে না, কোন পরিবর্তন চায় না। আমার মনে হয়, নিম্নবিত্তের জন্য রুটি-রুজির ব্যবস্থা করাই এতো কঠিন হয়ে পড়েছে যে, সারাদিনের খাটুনি শেষে সিনেমা দেখে তা নিয়ে নতুন করে কিছু ভাবার ধৈর্য্যটা তাদের আর থাকে না, তারা কোন অভিনবত্বের মাধ্যমে আঘাত পেতে চায় না। (আরও…)
স্মৃতি-বেদনার ঋত্বিক মেলা
লেখক – আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
তারিখ – ২৪ ডিসেম্বর ২০০৯
“দৈনিক প্রথম আলো”-তে প্রকাশিত
‘বাসায় বিড়ালের পাঁচটা বাচ্চা হয়েছে। ওদের চোখ ফোটেনি। দেশ ভাগ হয়ে গেছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে, আমাদের বাসা ছেড়ে চলে যেতে হবে। আমার ওই বিড়ালের বাচ্চাগুলোকে ফেলে কিছুতেই যেতে ইচ্ছে করছিল না। মনে হচ্ছিল, ওদের চোখ ফুটবে তো? নাকি একলা বাসায় কেউ ওদের মেরে ফেলবে—এই চিন্তায় আমি খুব অস্থির ছিলাম। আজ বাংলাদেশে এসে আমার মনে হচ্ছে এক্ষুনি দৌড়ে গিয়ে দেখি, বাচ্চাগুলোর চোখ ফুটেছে কি না। অথচ মাঝখানে ৬২টি বছর আমার জীবন থেকে উড়ে গেছে। আজ এখানে এসে মনে হচ্ছে, আমি যেন সেই নয় বছরের খুকিটি রয়েছি।’ রাজশাহী ফিল্ম সোসাইটির আয়োজনে ঋত্বিক ঘটক চলচ্চিত্র উত্সবে যোগ দিতে এসে আগের দিন ১৬ ডিসেম্বর রাতে রাজশাহীতে হোটেলে বসে এভাবেই বলছিলেন ঋত্বিক ঘটকের মেজ বোন বিখ্যাত আঁকিয়ে সম্প্রীতি দেবীর মেয়ে কানাডা-প্রবাসী রীনা চক্রবর্তী। (আরও…)
ঋত্বিক ঘটক চলচ্চিত্র উৎসব
দৈনিক যায়যায়দিন
১৮ ডিসেম্বর ২০০৯
রাজশাহীতে ঋত্বিক ঘটক চলচ্চিত্র উৎসব শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজশাহী ফিল্ম সোসাইটি তিন দিনব্যাপী এ উৎসবের আয়োজন করে রাজশাহী হোমিওপ্যাথিক কলেজে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রখ্যাত কথাশিল্পী হাসান আজিজুল হক। প্রথম দিন ঋত্বিক ঘটকের ছবি ‘মেঘে ঢাকা তারা’ ও ‘কোমল গান্ধা’র প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী সদর আসনের এমপি ওয়ার্কার্স পার্টি নেতা ফজলে হোসেন বাদশা। এছাড়া কবি রুহুল আমিন প্রামাণিক, চলচ্চিত্র গবেষক মনিস রফিক, ঋত্বিক ঘটকের চলচ্চিত্র নিয়ে গবেষণা করছেন এমন দুই ফরাসি গবেষক সান্দ্রা ও আনাইচও উপস্থিত ছিলেন। এতে স্মৃতিচারণ করেন ঋত্বিক ঘটকের নিকট আত্মীয়রাও। (আরও…)
একনিষ্ঠ শিশ্ন-চর্চায় রত ডক্টর স্ট্রেঞ্জলাভ
সিনেমা বিষয়ে স্ট্যানলি কুবরিক এর কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না। হাই স্কুল শিক্ষা যখন শেষ করেন তখন আমেরিকায় মন্দা চলছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সেই দেশে নিয়ম করা হয়েছিল, ৬৭% এর উপর নম্বর না থাকলে কেউ কলেজে ভর্তি হতে পারবে না। তাই হাই স্কুলের পর আর কুবরিকের পড়াশোনা করা হয় নি। পরবর্তীতে মন্তব্য করেছিলেন যে, স্কুল তাকে কিছুই শেখাতে পারে নি, এমনকি স্কুলের কোনকিছুতে তিনি কোনদিন উৎসাহও পান নি। ছোটবেলা থেকে শখ ছিল ছবি তোলা, ক্যামেরা হাতে ঘুরে বেড়ানোটা তার জন্য একটা নিয়ম হয়ে গিয়েছিল। পড়াশোনা থেকে মুক্তি পেয়ে তাই বেরিয়ে পড়েন ক্যামেরা হাতে। শুরু হয় কুবরিকের ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফি জীবন। সমাজ-বাস্তবতার শৈল্পিক রূপায়ন তার এই জীবনকে বেশ সার্থক করে তোলে, অচিরেই সেকালের বিখ্যাত ‘লুক’ ম্যাগাজিনের নজরে পড়ে যান। লুক এর জন্য তিনি পরবর্তীতে প্রায় ৫-৬ হাজার ছবি তুলেছিলেন। এই ফটোগ্রাফি জীবনই তাকে সিনেমা বানাতে উদ্বুদ্ধ করেছে। লুক এর পর তার পৃষ্ঠপোষক হয়েছে হলিউডের স্টুডিওগুলো। কিন্তু কুবরিক পুরো সময় জুড়ে একজন স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা ছিলেন, অনেকে তাকে পৃথিবীর প্রথম স্বাধীন চলচ্চিত্রকার হিসেবে আখ্যায়িত করে। তার সিনেমায় স্টুডিওর বলার কিছু ছিল না, অর্থ যোগান দেয়া ছাড়া তাদের আর কোন কাজ ছিল না।
(ডক্টর স্ট্রেঞ্জলাভ) (আরও…)
বাখ এবং বেটোফেন-ই বারিমান এর পয়গম্বর
ইঙ্গমার বারিমান দেখা শুরু করেছিলাম “পারসোনা” দিয়ে। প্রথম বার দেখার পর কিছু বুঝি নি এটা সত্য। কিন্তু দৃশ্যগুলো মনে এতোটাই গেঁথে গিয়েছিল যে আজও ভুলতে পারি নি। এরপর অবশ্য অনেক বার দেখা হয়েছে পারসোনা। এরই মধ্যে বারিমান এর আরও ৬ টি সিনেমা দেখেছি। সত্যি বলতে সবগুলোই হৃদয়ের গভীরে প্রবেশ করেছে। বারিমান এর সাদা-কালে পর্দায় বিশাল ক্লোজ-আপ গুলো কোথায় যেন নিয়ে যায়। “দ্য সাইলেন্স” সিনেমাতে প্রথম বারের মত আবহ সঙ্গীতের দিকে মনযোগ দিয়েছিলাম।
আমাদেউস (১৯৮৪)
যেভাবে একটি অপেরা শুরু হয়। পর্দা উঠুক আর না উঠুক, শুরু হয় ওভার্চার। মিলশ ফরমান এর “আমাদেউস” (১৯৮৪) এর শুরুটা ঠিক তেমনই। পর্দা ওঠার আগেই শুরু হয় ওভার্চার ধর্মী গাঢ় সুর। সুরের তালেই পর্দা ওঠে, আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে উনবিংশ শতকের ভিয়েনা-র একটি শীতল রাত, যেমন রাতে ঘোড়ারা নিঃশ্বাস ফেললে ধোঁয়াশার খেলা শুরু হয়। এই শীর্ণ রাতের নীরবতা ভেঙে কোত্থেকে চিৎকার ছুটে আসে-
মোৎজার্ট…
আমি ভাবি, আহত ঈশ্বর বুঝি ডাকছেন মোৎজার্টকে। পরের মৃয়মান চিৎকারেই প্রথমবারের মত টের পাই, ইনি ঈশ্বর নন, পৃথিবীরই কেউ, কে তা জানি না। মোৎজার্ট নাম ধরে দু’বার ডাকার পর সে কাতর স্বরে বলে,
Forgive your assassin! I confess, I killed you! Yes, I killed you, Mozart. Mozart, mercy!Forgive your assassin! Forgive me, Mozart!
যিনি এই কথাগুলো বলেছেন তার ঘরের দরজা বন্ধ। এমন দুজন খাবার হাতে দরজার সামনে দাঁড়ায় যাদের নিয়ে ফরমান ব্যঙ্গ করতে চান। এদের মুখেই আমরা প্রথমবারের মত সদ্য কনফেশন করা ব্যক্তিটির নাম জানতে পারি: সালিয়েরি। ওরা তাকে সিনোরি সালিয়েরি বলে ডাকে।
সংস্কৃতি কথা
[জীবনে প্রথম মুক্তভাবে চিন্তা করতে শিখেছিলাম এই প্রবন্ধটি পড়ে। ভাবলাম টাইপ করে ব্লগে তুলে রাখি।]
সংস্কৃতি কথা
লেখক – মোতাহের হোসেন চৌধুরী
ধর্ম্ম সাধারণ লোকের কালচার, আর কালচার শিক্ষিত, মার্জ্জিত লোকের ধর্ম। কালচার মানে উন্নততর জীবন সম্বন্ধে চেতনা-সৌন্দর্য্য, আনন্দ ও প্রেম সম্বন্ধে অবহিতি। সাধারণ লোকেরা ধর্ম্মের মারফতেই তা পেয়ে থাকে। তাই তাদের ধর্ম্ম থেকে বঞ্চিত করা আর কাল্চার থেকে বঞ্চিত করা এক কথা।
ধর্ম্ম মানে জীবনের নিয়ন্ত্রণ। মার্জ্জিত আলোকপ্রাপ্তরা কাল্চারের মারফতেই নিজেদের নিয়ন্ত্রিত করে। বাইরের আদেশে নয়, ভেতরের সূক্ষ্মচেতনাই তাদের চালক, তাই তাদের জন্য ধর্ম্মের ততটা দরকার হয় না। বরং তাদের উপর ধর্ম্ম তথা বাইরের নীতি চাপাতে গেলে ক্ষতি হয়। কেননা তাতে তাদের সূক্ষ্ম চেতনাটি নষ্ট হয়ে যায়, আর সূক্ষ্মচেতনার অপর নাম আত্মা।
সাহিত্য, শিল্প, সঙ্গীত কাল্চারের উদ্দেশ্য নয়- উপায়। উদ্দেশ্য, নিজের ভেতরে একটা ঈশ্বর বা আল্লা সৃষ্টি করা। যে তা করতে পেরেছে সে-ই কালচার্ড অভিধা পেতে পারে, অপরে নয়। বাইরের ধর্ম্মকে যারা গ্রহণ করে তারা আল্লাকে জীবনপ্রেরণা রূপে পায় না, ঠোঁটের বুলি রূপে পায়। তাই শ’র উক্তিঃ Beware of the man whose God is in the skies- আল্লা যার আকাশে তার সম্বন্ধে সাবধান। কেননা, তার দ্বারা যে কোন অন্যায় ও নিষ্ঠুর কাজ হতে পারে। আল্লাকে সে স্মরণ করে ইহলোকে মজাসে জীবন যাপন করার জন্য আর পরকালে দোজখের আজাব থেকে রক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ্যে, অথবা স্বর্গে একটা প্রথম শ্রেণীর সিট্ রিজার্ভ করার আগ্রহে- অন্য কোন মহৎ উদ্দেশ্যে নয়। ইহলোকে ও পরকালে সর্ব্বত্রই একটা ইতর লোভ। (আরও…)
পিংক ফ্লয়েড: লাইভ অ্যাট পম্পেই
পৃথিবীকে আমি খুব বীভৎস, কুৎসিত এবং ভয়ংকর একটা জায়গা হিসেবে দেখি। প্রকৃতি আমাকে মুগ্ধ করে না, তবে মাঝেমাঝে ভীত করে তোলে। এজন্যই হয়তো একটি সুন্দর সকালের চেয়ে আমাকে আগ্নয়েগিরির ভয়ালদর্শন অগ্নিস্রোত বেশি টানে। আমি বুঝে গেছি, পৃথিবীতে নির্মল সুন্দর বলতে কিছু নেই। সকালের উদীয়মান আলোর সাথে আমি ইঙ্গমার বারিমান এর মতই কষ্টকর সেক্স এর মিল খুঁজে পাই। এই পৃথিবীতে যা কিছু সুন্দর, যা কিছু নির্মল তার সবই মানুষের সৃষ্টি। প্রকৃতিতে এর কোনটাই ছিল না। মানুষের এই সৃষ্টির নাম আর্ট। বাংলা “শিল্প” শব্দটি আমার কখনোই ব্যবহার করতে ইচ্ছে করে না। কারণ বাংলায় ইন্ডাস্ট্রি আর আর্ট এই দুই শব্দের প্রতিশব্দই শিল্প। এই বিশ্রী সাযুজ্য কোন বাঙালি কবে তৈরি করেছিল তাকে একবার সামনে পেতে ইচ্ছে করে। কষে একটা ঝাড়ি লাগাতাম। ফাইজলামির আর জায়গা পায় না। কোথায় ইন্ডাস্ট্রি আর কোথায় আর্ট। এই দুই বিপরীতমুখী ধারার প্রতিশব্দ এক হয় কী করে?

প্রকৃতিতে যদি সুন্দর কিছু থেকে থাকে তবে সেটা মানুষ সুন্দর বলেছে বলেই সুন্দর হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের চেতনার রঙে যেমন পান্না রং পেয়েছিল ঠিক তেমনই প্রকৃতির প্রতিটি কুৎসিত জিনিস আমাদের চেতনার রঙে রঞ্জিত হয়। এই রং উঠিয়ে নিলে বেরিয়ে আসবে কাটা কাটা চাকাওয়ালা ট্রাকের ঘর্ষণে জর্জরিত একটা মাটির সড়ক। সৌন্দর্য্য যা তা এই মানুষেরই, রং যা তা কেবল আমাদেরই। এই ভয়াবহ রকমের শূন্য, অসীম, বারন মহাবিশ্বে সৌন্দর্য্য সৃষ্টির মাধ্যমেই আমরা টিকে আছি। এটা না থাকলে আমাদের অস্তিত্ব থাকতো না। (আরও…)
স্লামডগ মিলিওনার একটা ওরিয়েন্টালিস্ট আবর্জনা
কোন এককালে আমার অস্কারের প্রতি ভক্তি ছিল। “অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড”- নামটা শুনলেই কেমন জানি শিহরণ জাগতো। আমার এসব কথার গভীরতা অবশ্য অনেক কম হবে। কারণ আমি সিনেমা দেখি মাত্র ২ বছর ধরে। জীবনে প্রথম সিনেমা দেখেছি ভার্সিটিতে এসে, তাও সেকেন্ড ইয়ার এ। একটু ডজ মারলাম অবশ্য। ক্যাডেট কলেজে ক্লাস সেভেনে থাকতে দুইটা হিন্দি সিনেমা দেখেছিলাম। তখন প্রায় প্রতি সপ্তাহে কলেজে ভিসিআর না ভিসিডি কিসব শো থাকতো। সংখ্যাগরিষ্ঠের রুচি অনুযায়ী যথারীতি চলতি হিন্দি সিনেমা আনা হতো। আর পোলাপানের কি জোশ। বস্তাপঁচা সেই সব সিনেমা দেখে সে কি উল্লাস। কমার্শিয়াল হিন্দি সিনেমার স্টাইলটাই আমার ভাল লাগে না। যত্তোসব…
আমার ঘেন্নার লিস্টে এখন দ্বিতীয় জায়গা দখল করে নিয়েছে অস্কার। আগে কোন সিনেমা অস্কার পেয়েছে, কোনটা পায় নি এসব নিয়ে রীতিমত ইমোশনাল বিশ্লেষণ চলতো। মার্টিন স্করসেজি কে কেন আগে অস্কার দেয়া হলো না এই নিয়ে মন খারাপ করতাম। তার ডিপার্টেড এই কেন শেষ পর্যন্ত অষ্কার পেল এইসব ভেবে মানুষের হাপিত্যেশ উপভোগ করতাম। ডেভিড লিঞ্চ অস্কার পায় নি বলে দুঃখ করতাম। অথচ আজকে স্ট্যানলি কুবরিক ডিরেক্টর হিসেবে অস্কার পায় নি বলে অ্যাকাডেমি-কে জানাই কৃতজ্ঞতা। অস্কার দিয়ে কুবরিক এর মত এক ঈশ্বরকে মর্ত্যে নামিয়ে আনাটা কি ঠিক হতো?
গত বছর এইটা কি সিনেমাকে অস্কার দিল?
আমি জাস্ট আকাশ থেকে পড়ছি।
স্লামডগ মিলিওনার
একটা কুরুচীপূর্ণ সিনেমা। (আরও…)
শেষ হয়ে গেল টরন্টো চলচ্চিত্র উৎসব
টরন্টো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভাল যে এত সমৃদ্ধ আগে ভাবতেও পারিনি। স্বয়ং আম্রিকার কোন চলচ্চিত্র উৎসবও এত গমগম করে না। অস্কার আর গোল্ডেন গ্লোব দিয়ে তারা চলচ্চিত্র উৎসবকে ছেয়ে ফেলেছে। সেখানে উৎসব মানেই পুরস্কার। পুরস্কার ছাড়া যেন উৎসব হয় না, কিংবা উৎসব থাকলেই যেন সেখানে পুরস্কারের সমারোহ থাকতে হবে।
মহাবিশ্বের ইতিহাস নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করতে গিয়ে টরন্টোর ভাল ফিচার করতে পারছি না। তারপরও কয়েকটা বিষয় তুলে না আনলে নয়।



